রিজার্ভ বেসিনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেখা গিয়েছিল অন্য বাংলাদেশকে। ইমরুল কায়েসের বাজে আউট বাদে পুরো খেলাতেই পজিটিভ ইমেজে ছিল টাইগাররা। তামিম ইকবাল ও মুমিনুল হকের ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ পায় সঠিক দিশা। বিরুদ্ধ বাতাসও টলাতে পারেনি টাইগারদের।

এ ধারাবাহিকতায় রেকর্ড রান গড়ে ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই করে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। হয়েছেন ৩ হাজারি ক্লাবের সদস্য।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শুক্রবার ২৬৩ বল খেলে ২০৭ রান করেন তিনি। এর আগে ২০১৫ সালে খুলনায় পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ২০৬ রান করেন তামিম। আর তামিমের আগে ২০১৩ সালে গলে শ্রীলংকার বিপক্ষে ২০০ রান করে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছিলেন মুশফিকুর রহিম।

শেষ পর্যন্ত ২১৭ রানে থামে সাকিবের ইনিংস। ২৭৬ বল খেলে ৩১টি চারের মারে এই রান করেন সাকিব।

তবে সাকিবের অপেক্ষাটা ছিল ৭১ রানের। ওয়েলিংটন টেস্টে মাত্র ৭১ রান করতে পারলেই ক্রিকেটের অভিজাত এক ক্লাবের সদস্য হতেন সাকিব। অপেক্ষা ফুরোতে একদমই সময় নেননি তিনি। প্রয়োজনীয় রানটা তুলে নিলেন খুব দ্রুতই। টেস্ট ক্রিকেটে ৩ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেন তিনি।

এর আগে হাবিবুল বাশার ও তামিম ইকবাল এই ৩ হাজারি রানের ক্লাবে নাম লিখিয়েছিলেন। সাকিব তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে এই ক্লাবের সদস্য হলেন। সঙ্গে রয়েছে ১৫০ উইকেট।

সাকিব টেস্টে দেড়শ’ উইকেট পেয়েছেন গত অক্টোবরেই। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে মাইলফলকটা ছুঁয়েছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার। ওয়েলিংটন টেস্টের আগে ৪৪ টেস্টে ব্যাট হাতে সাকিব করেছেন ২৯২৯ রান।

টেস্টে ৩ হাজার রান ও ১৫০ উইকেটের ‘ডাবল’ এর কীর্তি গড়া বাকিরা হলেন ইয়ান বোথাম, রিচার্ড হ্যাডলি, ক্রিস কেয়ার্নস, কপিল দেব, অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ, ড্যানিয়েল ভেট্টোরি, রবি শাস্ত্রী, চামিন্দা ভাস, শেন ওয়ার্ন।