লা মেসিয়া থেকে বার্সেলোনার জাতীয় দল। এরপর ধীরে ধীরে যা করেছেন তা সবই ইতিহাস। লাইম লাইটে গার্দিওলার হাত ধরে ২০০৮ সাল থেকে। এরপর সময় যত গড়িয়েছে খেলার ধারও তত বেড়েছে, হয়েছেন ভুবন বিখ্যাত। জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত উল্লেখ সাফল্য না পেলেও বার্সার হয়ে লিওনেল মেসি যেন রেকর্ডের রাজপুত্তর। জিতেছেন একাধিক শিরোপা। তার বদৌলতে টানা চারবার ফিফা বর্ষসেরার খেতাবও জিতে গড়েছেন নতুন এক ইতিহাস। সব মিলিয়ে ইউরোপিয়ান তথা ফুটবল বিশ্বই এখন মোহাবিষ্ট মেসিকে ঘিরেই।

এই মেসি যখন ফুটবলকে বিদায় জানাবেন, কি হবে তখন? সে প্রসঙ্গেই কথা বলেছেন চেলসির পর্তুগিজ কোচ হোসে মরিনহো। তার দর্শনটা এরকম, মেসি অবসরে গেলে ইউরোপিয়ান ফুটবলের চেহারাই বদলে যাবে।

গত এক দশক ধরে বার্সেলোনার সাফল্যের মূল কারিগর লিওনেল মেসি। তার অসামান্য ফুটবল নৈপূণ্যে কাতালানরা ৩টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ৭টি স্প্যানিশ লা লিগা-সহ অসংখ্য ট্রফি জয় করে। মেসিকে ঘিরেই বার্সার সাফল্য আবর্তিত হয় হয় মনে করে চেলসির কোচ মরিনহো।

তিনি বলেন, ‘গত ১০ বছরে সে ইউরোপিয়ান ফুটবলের চেহারা বদলে দিয়েছে। তাকে ইউরোপিয়ান ফুটবল থেকে দূরে সরিয়ে দেখুন, দেখবেন গোটা ইউরোপিয়ান ফুটবল পরিবর্তন হয়ে যাবে।’

গত এক দশক ধরে কোচ হিসেবে ফ্রাংক রাইকার্ড, পেপ গার্দিওলা ও লুইস এনরিক বার্সেলোনাকে বেশ কয়েকটি ট্রফি উপহার দিয়েছেন। এসবে তাদের চেয়ে মেসির অবদান বেশি দেখেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক কোচ হোসে মরিনহো।

চেলসির বর্তমান কোচ বলেন, ‘ফ্রাংক রাইকার্ড, পেপ গার্দিওলা ও লুইস এনরিকের সময়ে বার্সেলোনা যেই শিরোপাগুলো জিতেছে সেগুলো কিন্তু মেসির হাত ধরেই এসেছে।’

চলতি বছরের শুরু থেকেই গুঞ্জন উঠে লিওনেল মেসি বার্সেলোনা ছেড়ে অন্য কোথাও পাড়ি জমাবেন। সম্ভাব্য ঠিকানা হিসেবে চেলসির নামও উচ্চারিত হয়। তবে সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন চেলসি কোচ মরিনহো।