আইপিএল শুরু হতে না হতেই দেশে ফিরে আসতে হয়েছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলার জন্য। তার আগে খেলেছিলেন আইপিএলের মাত্র দুটি ম্যাচ। পাকিস্তান সিরিজ শেষ হতে না হতে আবারও আইপিএল খেলতে চলে গেলেন ভারতে। গিয়েই সুযোগ পেয়ে গেলেন মাঠে নামার এবং নেমেই বল হাতে জাদু দেখালেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ২২ রান দিয়ে তুলে নেন ২ উইকেট। সাথে ১৫ বলে খেলেন ২৩ রানের ইনিংস।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে বল হাতে একেবারেই নিষ্প্রভ ছিলেন সাকিব। বিশেষ করে টেস্ট সিরিজে। খুলনা এবং ঢাকা টেস্ট মিলিয়ে ৩২৫ রান দিয়ে নিয়েছিলেন মাত্র ২ উইকেট। এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ভক্তরা যারপরনাই অবাক।

কিন্তু একজন প্রকৃত লড়াকু, এত সহজে হাল ছাড়ার পাত্র নয়। সাকিবও ছাড়লেন না। যে কারণে আইপিএলে মাঠে ফিরেই নিজের জাত চেনালেন সাকিব। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই সাকিবকে বোলিংয়ে আনেন গৌতম গম্ভীর। প্রথম ওভারে দিলেন ৬ রান। উইকেট পেলেন না।

দ্বিতীয় ওভারের (ইনিংসের পঞ্চম ওভার) প্রথম বলেই বাউন্ডারি খেলেন। পরের বলেই তুলে নিলেন ওপেনার পার্থিব প্যাটেলের উইকেট। ভাঙলেন উদ্বোধনী জুটি। দলের সপ্তম এবং নিজের তৃতীয় ওভারে বল করতে এসে তুলে নিলেন আম্বাতি রাইডুর উইকেট। রান দিলেন মাত্র ২টি। তিন ওভার মিলিয়ে ১৭ রান।

১৪তম ওভারে সাকিবকে আবারও ডেকে আনেন গম্ভীর। এ ওভারে উইকেট পেলেন না। তবে বাউন্ডারিও দিলেন না। তার কাছ থেকে নিতে পারল মাত্র ৫ রান। ৪ ওভার বোলিং করে সাকিবের স্পেল দাঁড়াল ৪-০-২২-২।

ব্যাট হাতেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখলেন সাকিব। ১৭২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে কেকেআর যখন ৮৮ রানে গম্ভীরের উইকেট হারায়, তখন ব্যাট করতে নামেন সাকিব। তবে ১৫ বলে ২৩ রান করে আউট হন তিনি। বাউন্ডারি মেরেছেন ৩টি।