সকালে ম্যাচ শুরুর আগেই পাকিস্তানি ক্রিকেট বিশ্লেষক এম এস নকবি বলছিলেন, বাংলাদেশ বদলে গেছে। এখন আর একক কোনো পারফর্মের ভর করে বাংলাদেশকে জিততে হয় না। পুরো টিম হয়ে জয় ছিনিয়ে আনছে টাইগাররা। আর দিনে দিনে এই টিমের পোস্টারবয় হয়ে উঠছেন মুশফিকুর রহিম।

আগে যেখানে বাংলাদেশ দলের দুয়েকজন ক্রিকেটার পারফর্ম করতে না পারলে ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার শঙ্কা জাগতো, এখন দুয়েকজনের প্রতি সে ধরনের নির্ভরতাও নেই, আবার কাউকে একা নির্ভরতার চাপও নিতে হচ্ছে না। উপরুন্ত প্রতি ম্যাচেই ক্রিকেটারদের নিজেদের ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, আর তাতে দারুণভাবে উপকৃত হচ্ছে টিম।

পোস্টারবয় মুশফিকই এখন এ প্রতিযোগিতার সামনের কাতারে। গত ১৭ এপ্রিলের ম্যাচে তামিমের পাশাপাশি মুশফিকের দুরন্ত শতকে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৬ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার জয় তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচের মতো রোববারের ম্যাচেও দলকে জয়ের বন্দরে ভিড়ানোর কাজ করছেন তামিম-মুশফিক। অর্ধশতক করে টানা দ্বিতীয় শতকের পথে হাঁটছেন ওপেনার তামিম।

আর টু ডাউনে নেমে মুশফিকও হাঁকিয়ে ফেলেছেন অর্ধশতক। এ জন্য তিনি বল খরচ করেছেন মাত্র ৫৭। তার এই অর্ধশতকের সংগ্রহে চারের মার ছয়টি, আর বিশাল ছয়ের মার রয়েছে একটি। মুশফিক এখনও খেলছেন, দলকে কাঙ্ক্ষিত বন্দরে ভিড়ানোর লক্ষ্যে।