শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সুইজারল্যান্ডের নিওনে সেমিফাইনালের ড্র সম্পন্ন হয়।

বার্সার জন্য এটি অগ্নিপরীক্ষাও বটে। ২০১২-১৩ মৌসুমের সেমিতে দুই লেগে মিলিয়ে বার্সাকে ৭-০ গোলে হারিয়ে জয় পেয়েছিল বায়ার্ন। এর আগে ২০০৮-০৯ মৌসুমের কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানদের ৫-১ গোলে হারায় কাতালানরা।

অবশ্য এবারে একেবারেই অন্যরকম অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হবে মেসি-ইনিয়েস্তারা। তাদেরই সাবেক সফল কোচ পেপ গার্দিওলাই যে বর্তমানে বায়ার্নের কোচ। বার্সার হয়ে ২০০৮-১২ সাল পর্যন্ত সফল অধ্যায় পার করেন এই স্প্যানিশ কোচ। কাতালানদের এনে দেন দু’টি চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা।

কোয়ার্টার ফাইনালের দুই লেগ মিলিয়ে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনকে (পিএসজি) ৫-১ গোলে বার্সা, পোর্তোকে ৭-৪ গোলে বায়ার্ন, মোনাকোকে ১-০ গোলে জুভেন্টাস ও নগর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেমিতে উঠে রিয়াল।

এক যুগ পর শেষ চারে উঠার কৃতিত্ব অর্জন করে জুভিরা।

আগামী ৫ মে তুরিনোর জুভেন্টাস স্টেডিয়ামে প্রথম লেগের ম্যাচে স্বাগতিক জুভেন্টাসের মুখোমুখি হবে রিয়াল। পরের দিন ক্যাম্প ন্যুতে বার্সার বিপক্ষে মাঠে নামবে বায়ার্ন।

ফিরতি পর্বের ম্যাচে ১২ মে অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় মুলার-গোতজেদের বিপক্ষে খেলবে মেসি-নেইমাররা। একদিন পর বার্নাব্যুতে জুভিদের আতিথ্য দেবে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।

৬ জুন জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত অলিম্পিয়াস্তাদিন স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে এই আসরের পর্দা নামবে।

উল্লেখ্য, এই চার দল চ্যাম্পিয়নস লিগ ইতিহাসে মোট ২১বার শিরোপা জিতেছে। তবে এদিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে আছে রিয়াল। গ্যালাকটিকোরা গতবার রেকর্ড দশম শিরোপা ঘরে তোলে। পাঁচটি শিরোপা জিতে পরের অবস্থানে আছে বায়ার্ন। বার্সা জিতেছে চারটি আর দু’টি গেছে জুভেন্টাসের ঘরে।

চলতি আসরে বার্সার প্রাণভোমরা আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি করেছেন ৮টি গোল। সমান গোল করেছেন রিয়াল মাদ্রিদের গোল-মেশিন খ্যাত পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এছাড়া ৬ টি করে গোল করেছেন জুভেন্টাসের আর্জেন্টাইন তারকা কার্লোস তেভেজ এবং বায়ার্ন মিউনিখের থমাস মুলার।

এদিকে, বার্সেলোনার লুইস সুয়ারেজ এবং নেইমার ৬টি করে গোল করেছেন। রিয়ালের ফরাসি স্ট্রাইকার করিম বেনজেমার গোল সংখ্যা ৬টি।