যেসব জায়গায় আ’লীগ থেকেও এগিয়ে রয়েছে বিএনপি

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়নপত্র বিক্রি শেষ করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ ও প্রধান বিরোধীদল বিএনপি। গত শুক্রবার মনোনয়নপত্র বিক্রি শেষ করে বিএনপি। আর আওয়ামীলীগ এর দুদিন আগে তাদের মনোনয়নপত্র বিক্রি শেষ করে।

বিএনপি চারদিনে মনোনয়ন পত্র বিক্রি করেছে ৪৫৮০টি। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনয়ন পত্র বিক্রি করেছে ৪০২৩ টি। আওয়ামী লীগ থেকে ৫৫৭ টি ফরম বেশি বিক্রি করেছে বিএনপি।

আওয়ামীলীগ ত্রিশ হাজার টাকা দিয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে। অন্যদিকে বিএনপির মনোনয়ন ফরমের দাম ছিল ৫ হাজার টাকা ও জমা ফরম জমা দেয়ার সময় ২৫ হাজার টাকা জামানত নিয়েছে দলটি।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে আয় করেছে প্রায় ১২ কোটি ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

তবে বিএনপির মনোনয়ন পত্র জমাদানের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় তাদের চূড়ান্ত আয় কত  হয়েছে তা জানা যায়নি।

মনোনয়ন ফরম বিক্রির সময় রাজধানী মোহাম্মদপুরে আওয়ামীলীগের দু গ্রুপের সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত হয়। মোহাম্মদপুরে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্মাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মহানগর উত্তর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্মাদক সাদেক খান উভয়েই মনোনয়ন প্রত্যাশী।

আর গত মঙ্গলবার বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সাথে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতাসহ প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা দেয়া হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে।

এছাড়া মনোনয়ন বিক্রি নিয়ে তেমন কোন বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি। এছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের মতো করে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে।

এদিকে আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু হয়। মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা এই সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন। তার তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রার্থীদেরকে বিভিন্ন প্রশ্ন করছেন।

মনোনয়ন বোর্ডে সভাপতি করা হয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে।

এছাড়াও বোর্ডে আছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লে. জে. (অব) মাহবুবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী