রোববার (২১ জুন’২০১৫) উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন। বছরের এ দীর্ঘতম দিনে ঢাকার আকাশে সূর্য থাকবে মোট ১৩ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট ২ সেকেন্ড।

এই দিনে সূর্য তার উত্তরায়নের সর্বোচ্চ বিন্দুতে অবস্থান করে এবং সর্বোচ্চ উত্তরে উদয় হয় ও সর্বোচ্চ উত্তরে অস্ত যায়। পৃথিবীর কর্কটরেখায় সূর্যকে এই দিন মধ্যাহ্নে আকাশের ঠিক মাঝখানে দেখা যায়।

বাংলাদেশের মধ্যাংশ দিয়ে কর্কটরেখা যাওয়ার ফলে কর্কটক্রান্তি দিবসে বাংলাদেশের প্রায় সবখানেই মধ্যাহ্নে সূর্য থাকবে মধ্যগগনে প্রায় মাথার ওপরে সুবিন্দুতে। ওই সময়ে কর্কটরেখায় কোনো লাঠি ভূমির সঙ্গে লম্বভাবে রাখলে তার ছায়া পড়বে না।

ঢাকার আকাশে রোববার দুপুর ১২টায় সূর্য মধ্যগগন থেকে মাত্র ০.৩ কৌণিক ডিগ্রি দূরে থাকবে। তাই ঢাকায়ও এ সময়ে কোনো লম্বা দণ্ডের ছায়া প্রায় পড়বে না বলা যায়।

বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিত্সু চক্র ২০০৭ সাল থেকে চারপাশের প্রকৃতি ও প্রতিবেশের বিভিন্ন ঘটনার প্রতি সাধারণের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি এবং এগুলোর বিজ্ঞানসম্মত কারণ অনুসন্ধানে উত্সাহিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে দিবসটি পালন করে আসছে। এ বছরও দিবসটি উপলক্ষে অনুসন্ধিত্সু চক্র বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।রোববার (২১ জুন’২০১৫) উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন। বছরের এ দীর্ঘতম দিনে ঢাকার আকাশে সূর্য থাকবে মোট ১৩ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট ২ সেকেন্ড।

এই দিনে সূর্য তার উত্তরায়নের সর্বোচ্চ বিন্দুতে অবস্থান করে এবং সর্বোচ্চ উত্তরে উদয় হয় ও সর্বোচ্চ উত্তরে অস্ত যায়। পৃথিবীর কর্কটরেখায় সূর্যকে এই দিন মধ্যাহ্নে আকাশের ঠিক মাঝখানে দেখা যায়।

বাংলাদেশের মধ্যাংশ দিয়ে কর্কটরেখা যাওয়ার ফলে কর্কটক্রান্তি দিবসে বাংলাদেশের প্রায় সবখানেই মধ্যাহ্নে সূর্য থাকবে মধ্যগগনে প্রায় মাথার ওপরে সুবিন্দুতে। ওই সময়ে কর্কটরেখায় কোনো লাঠি ভূমির সঙ্গে লম্বভাবে রাখলে তার ছায়া পড়বে না।

ঢাকার আকাশে রোববার দুপুর ১২টায় সূর্য মধ্যগগন থেকে মাত্র ০.৩ কৌণিক ডিগ্রি দূরে থাকবে। তাই ঢাকায়ও এ সময়ে কোনো লম্বা দণ্ডের ছায়া প্রায় পড়বে না বলা যায়।

বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিত্সু চক্র ২০০৭ সাল থেকে চারপাশের প্রকৃতি ও প্রতিবেশের বিভিন্ন ঘটনার প্রতি সাধারণের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি এবং এগুলোর বিজ্ঞানসম্মত কারণ অনুসন্ধানে উত্সাহিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে দিবসটি পালন করে আসছে। এ বছরও দিবসটি উপলক্ষে অনুসন্ধিত্সু চক্র বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।