শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে মাঠে থাকলে বিএনপি জয়ী হতে পারতো: এরশাদ

0
163

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, সদ্য সমাপ্ত হওয়া ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কোনো কোনো কেন্দ্রে ভোট কারচুপিসহ যেসব অনাকাঙ্খিত ঘটনার অভিযোগ উঠেছে তা না হলে আরও ভালো হতো। নির্বাচনের মাঝপথে বিএনপির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা হয়তো আশঙ্কা করেছিল- নির্বাচনে জয়ী হতে পারবে না। কিন্তু তারা বর্জন করা সত্ত্বেও ৩ লাখের মত ভোট পেয়েছে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে মাঠে থাকলে তাদের প্রার্থীরা জয়ী হতে পারতো।
আজ রবিবার রংপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় এরশাদের ছোট ভাই সাবেক মন্ত্রী জি এম কাদের, জেলা জাপার আহ্বায়ক মোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, সদস্য সচিব হোসেন মকবুল শাহারিয়ার, মহানগর আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সদস্য সচিব এসএম ইয়াসিরসহ জেলা প্রশাসক ফরিদ আহাম্মদ, পুলিশ সুপার আবদুর রাজ্জাকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এরশাদ বলেন, দেশের মানুষ চায় উন্নয়ন, শান্তিতে চলাফেরা করতে, ঘুমাতে। মানুষ চায় জাতীয় পার্টির সরকারকে। কারণ জাতীয় পার্টির ৯ বছরে দেশের যে উন্নয়ন হয়েছে তা আর কোনো সরকার করতে পারেনি। জাপা সরকারের আমলে মানুষ সব দিক থেকে ছিল শান্তিতে। জিনিসপত্রের দাম ছিল কম, ছিল না কোনো হানাহানি। রাত-দিন মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারতো। তাই তারা আবার জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। আর সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তাই তৃণমূল পর্যায় থেকে জাতীয় পার্টিকে সাজানো হচ্ছে।
সিটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থীদের পরাজয় সম্পর্কে জানতে চাইলে এরশাদ বলেন, কী কারণে দলের প্রার্থীরা হারলো সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়। নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে এ বিষয়ে বলবো। সিটি নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সমালোচনার বিষয়ে এরশাদের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তবে বিএনপির প্রতি দেশের মানুষের আস্থা নেই- এমন মন্তব্য করে এরশাদ বলেন, তারা ৯০ দিন আন্দোলন করে মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। দেশের সম্পদ নষ্ট করে দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে। এসব তো আন্দোলন নয়, সহিংসতা। দেশের জনগণ এসব পছন্দ করে না। দেশের মানুষ বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তাই তাদের আন্দোলনে সাধারণ মানুষের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।