সাবেক আল-কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যু রহস্য নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ বুঝি আর নেই। কিছুদিন পূর্বে পুলিৎসার পুরস্কার পাওয়া মার্কিন অনুসন্ধানী সাংবাদিক হার্শ দাবি করেন, আড়াই কোটি ডলারে ওসামা বিন লাদেনকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেয় পাকিস্তানের কয়েকজন জেনারেল। এরপর নির্মমভাবে মার্কিন সেনারা লাদেনকে হত্যা করে।

হার্শ তার নিবন্ধে বলেছেন, আল-কায়েদার সাবেক প্রধান ওসামা বিন-লাদেনকে হত্যার অভিযানের বিষয়ে ডাহা মিথ্যা বলেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। নিজের ভূমিকাকে বড় করে দেখানো এবং বিন লাদেন-বিরোধী অভিযানের কৃতিত্ব নেয়ার জন্য এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিশেষ বাহিনীর ভূমিকার কথা ধামাচাপা দিয়েছেন তিনি। হার্শের দাবি, অ্যাবোটাবাদের বাড়িতে কয়েক বছর ধরেই বিন লাদেনকে আটকে রেখেছিল পাকিস্তানের সেনা গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। ২০১০ সালে পাকিস্তানের একজন পদস্থ গোয়েন্দা কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রথম বিন লাদেনের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে আমেরিকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ। ওয়াশিংটন ওসামা বিন লাদেনের মাথার দাম ঘোষণা করেছিল দুই কোটি ৫০ লাখ ডলার। এই অর্থের লোভেই লাদেনের অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য ফাঁস করে দেন ওই পাকিস্তানি কর্মকর্তা। আর লাদেনকে খুঁজে বের করতে পাকিস্তান কোনো ধরনের সহায়তা করেনি বলে দাবি করেছে আমেরিকা।

কিন্তু এখন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন মেডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক, লেখক ও সাংবাদিক জেমস হেনরি ফিটজার দাবি করেছেন, ২০১১ সালে লাদেন পাকিস্তানে নিহত হননি। বরং ২০০১ সালে তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তাকে একটি অজ্ঞাত কবরে ইসলামি অনুশাসন অনুযায়ী দাফন করা হয়েছে।

প্রেস টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন মেডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক, লেখক ও সাংবাদিক জেমস হেনরি ফিটজার এ দাবি করেছেন। এদিকে সাবেক আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন-লাদেনকে খুঁজে বের করতে পাকিস্তান কোনো সহায়তা করেনি বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

অপরদিকে, হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জোশ আর্নেস্ট সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বহু বছর ধরে ব্যাপক চেষ্টা চালিয়েছে এবং তারই ফলস্বরূপ ২০১১ সালেই নিহত হয়েছেন ওসামা বিন-লাদেন। বিন-লাদেনের অবস্থান চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছিল বলেও তিনি দাবি করেন আর্নেস্ট