লন্ডনে কাল বৃষ্টি হলে সেটি আমার দোষ, ব্রেক্সিট পছন্দ না করলেও সেটি আমার দোষ-মরিনহো
লন্ডনে কাল বৃষ্টি হলে সেটি আমার দোষ, ব্রেক্সিট পছন্দ না করলেও সেটি আমার দোষ-মরিনহো

ভীষণ বিপাকে পড়েছিলেন হোসে মরিনহো। দল টানা বাজে খেলছে, এই পরিস্থিতিতে পান থেকে চুন খসলেই তাঁর দোষ। কালও সবকিছু সেই পথেই এগোচ্ছিল। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে প্রথমবারের মতো ম্যাচের ১০ মিনিটের মধ্যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড পিছিয়ে পড়েছিল দুই গোল ব্যবধানে! ওই মুহূর্তে অনেকেই ওল্ড ট্রাফোর্ড থেকে মরিনহোর বিদায় দেখেছেন। কিন্তু লোকে ভুলে গিয়েছিল, এই মরিনহোই তিনবারের ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগজয়ী কোচ। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে ঘুরে দাঁড়ানোর পথটা তাঁর ভালোই জানা।

হুয়ান মাতা, অ্যান্থনি মার্শিয়াল আর অ্যালেক্সিস সানচেজে ভর করে কাল মরিনহো দেখালেন ঘুরে দাঁড়ানোর সেই পথটা। রীতিমতো অবিশ্বাস্য ‘কামব্যাক’—নিউ ক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে দুই গোল ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-২ গোলের জয়! মাতা ও মার্শিয়াল দুটি গোল পরিশোধের পর বদলি হয়ে মাঠে নামা সানচেজের গোলে জয় তুলে নেয় ইউনাইটেড। টানা চার ম্যাচ জয়শূন্য থাকার পর এই জয়টা নিশ্চিতভাবেই মরিনহোর চাকরি বাঁচানোর দাওয়াই। কেননা, ম্যাচের আগেই সংবাদমাধ্যমে গুঞ্জন উঠেছিল, যেকোনো মুহূর্তে ছাঁটাই হতে পারেন মরিনহো।

জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে চিরাচরিত ঢঙেই কথা বলেছেন পর্তুগিজ এই কোচ, ‘আমাকে উদ্দেশ্য করে অনেক কিছুই ঘটেছে। অনেক কথা হয়েছে। ভাবতে শুরু করেছিলাম, লন্ডনে কাল বৃষ্টি হলে সেটি আমার দোষ, আবার লোকজন ব্রেক্সিট পছন্দ না করলেও সেটি আমার দোষ। ২০২০ সাল পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোয় আমাকে দোষ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি ক্লাবের প্রতি পিস্তল তাক করে চুক্তির মেয়াদ বাড়াইনি। ওরা আমার সঙ্গে চুক্তি করতে চেয়েছে।’