স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের রুপকার ও জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রতীক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাতনী জনাব তারেক রহমানের বড় মেয়ে জায়মা রহমান বর্তমানে বাবা-মায়ের সাথে বসবাস করছেন সুদূর লন্ডনে। লেখাপড়া করছেন আইন বিষয়ে। সুদূর লন্ডনে বসবাস করলেও প্রিয় বাংলাদেশ রয়েছে জায়মা  রহমানের মন-মস্তিষ্কে! সেই সঙ্গে দাদা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সততা, নিষ্ঠা, গভীর দেশপ্রেম, নেতৃত্বের দৃঢ়তা ও গ্রাম বাংলার মেহনতি মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার ঐতিহাসিক গুণাবলি  জায়মা রহমানকে রাজনীতির প্রতি করছে উদ্বুদ্ধ!

এছাড়া জায়মা  রহমানের পিতা তৃণমূল বিএনপির প্রান পুরুষ বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও জনপ্রিয়তা কন্যা জায়মা  রহমানকে রাজনীতির প্রতি দিন দিন আকৃষ্ট ও অনুপ্রানিত করছে। সেই সঙ্গে মা ডা. জোবায়দা রহমানের রাজনীতি সচেতন ব্যক্তিত্ব  জায়মা
রহমানকে করে তুলেছে দূরদৃষ্টিসম্পূর্ণ।
জায়মা রহমানের রাজনৈতিক মাঠে পদচারনা শুরু  হয়েছিল বাংলাদেশে অবস্থানকালে দাদী বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার  সানিদ্ধ্যে থাকা অবস্থায়। আর তখন থেকেই
জায়মা রহমান দেখেছেন রাজনীতির উত্থান-পতন! বৈশ্বিক ও দেশীয় রাজনীতির ইতিহাস পাঠ ও পর্যালোচনার মাধ্যমে আত্মস্থ করেছেন রাজনীতির বহুমাত্রিকতা! সেই সঙ্গে বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন জিয়া পরিবারের এই তরুণ উত্তরসূরি।
অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকই মনে করেন, বর্ষীয়ান রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেয়া তরুণ প্রতিনিধিই ঐ পরিবারের রাজনৈতিক সংকটে কাণ্ডারির ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। এক্ষেত্রে ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রসঙ্গ উল্লেখ করলে দেখা যায় যে, ভারতের প্রভাবশালী নেহেরু পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। নেহেরু পরিবার সবসময়ই জড়িত ছিল রাজনীতিতে৷যার কারণে ছোটবেলা থেকেই বাপ-দাদার রাজনৈতিক মতাদর্শের দিকে ঝুঁকে পড়েন ইন্দিরা গান্ধী৷ ইন্দিরার বয়স যখন মাত্র চার তখনই তাঁর বাবা এবং তাঁর দাদা কারাবন্দি হন৷ কারণ তারা ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী৷
সময়ের ধারাবাহিকতায় ইংল্যান্ডে পড়াশোনা করেন ইন্দিরা গান্ধী এবং ১৯৩৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্দিরা গান্ধী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দেন৷ এরপর ধাপে ধাপে ইন্দিরা গান্ধী হয়ে উঠেন উপমহাদেশীয় রাজনীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত!
হ্যাঁ, গণতান্ত্রিক রাজনীতির মাঠে বয়সের ব্যাপারটিকে অনেকেই  সামনে নিয়ে আসেন। তবে উল্লেখ্য যে, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা আর মানুষের ভালোবাসাকে যে কোন বয়সের মাপকাঠি দিয়ে আটকে দেয়া যায়না তারই চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন অতি সম্প্রতি ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ২০ বছর বয়সী মাইরি ব্ল্যাক! সংসদীয় গণতন্ত্রের সূতিকাগার ব্রিটেনের সাড়ে তিনশ বছরের ইতিহাসে কনিষ্ঠতম সদস্য মাইরি ব্ল্যাক ব্রিটেনের নির্বাচিত হওয়ার পর প্রবাসে এবং দেশ-বিদেশের অনেক রাজনৈতিক বোদ্ধাই মনে করছেন বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক শঙ্কটে বিএনপি তথা জিয়া পরিবারের তরুণ উত্তরসূরি ২০ বছরের কোঠায় পা রাখা জায়মা  রহমানেরও রাজনীতিতে ধিরে- ধিরে সরব হওয়া উচিৎ।
এছাড়া বিভিন্ন সময় লন্ডনে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া প্রবাসী নেতা ও বাংলাদেশি রাজনীতি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিভিন্ন অঙ্গনে জায়মা  রহমানের রাজনৈতিক উপলব্ধি ও তার রাজনৈতিক চিন্তার দূরদর্শিতার ব্যাপারে প্রশংসা করেছেন। সেই সঙ্গে অনেকেই অভিমত ব্যাক্ত করেছেন যে, জায়মা  রহমান বাংলাদেশের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হলে তিনি দেশীয় রাজনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারবেন।
জায়মা রহমানের আপনজন বিশেষ করে, দাদী- চাচী – চাচাত ভাই বোন ও নানী – খালাদের সঙ্গে  রয়েছে গভীর আন্তরিকতা। তাদের সকলের সাথে নিয়মিত সৌহার্দ্যপূর্ণ যোগাযোগ রাখার ফলে জায়মা  রহমান হয়ে উঠেছে জিয়া পরিবারের ভালোবাসার মধ্যমণি! বিনম্রতা আর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দল-মত নির্বিশেষে বাংলাদেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা রেখেই তারুণ্যদীপ্ত  জায়মা রহমান এখন এগিয়ে যেতে চান আগামীর পথে।