অভিবাসী শ্রমিকদের উদ্ধারে জরুরি উদ্যোগ নিতে এবং মানবপাচারে যুক্ত ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক চক্রদের বিচার ও শাস্তির দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন। পূর্ব ঘোষিত স্বরাষ্ট্র ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে এ আল্টিমেটাম দেয় সংগঠনটি।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণসংসহতি আন্দোলনের মানববন্ধন কর্মসূচির পর মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের সামনে এলে পুলিশি বাধার মুখে সচিবালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে তারা।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এসময় বলেন, “সরকার যেভাবে পুলিশ বাহিনী দিয়ে আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা প্রদান করেছে সেভাবে যদি মানবপাচার রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করত তাহলে আমাদের এখানে আসার প্রয়োজন পড়ত না। অবিলম্বে ভাসমান অভিবাসীদেরকে উদ্ধারে জরুরি উদ্যোগ নিতে আমি সরকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।”
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিচ্ছি। ভাসমান শ্রমিকদের উদ্ধারে যদি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয় তাহলে কঠোর আন্দোলন করতে আমরা বাধ্য হবো।”
এর আগে প্রেসক্লাবের সামনে আনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সাকি বলেন, “অবৈধ এ সরকার নাগরিকের দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হয়েছে। সরকারের মন্ত্রী বলেছে, ‘অবৈধ অভিবাসীর দায়িত্ব সরকার নেবে না।’ সমুদ্রে ভাসমান বাংলাদেশি নাগরিকরা খাবারের অভাবে নিজেদের মধ্যে মারামারি করে মৃত্যুবরণ করছে। খাবার পানির অভাবে নিজেদের পেচ্ছাব নিজেরা খাচ্ছে। আর দেশের সরকার তাদের উদ্ধারে তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরিবর্তে বলছে, তারা তাদের দায়িত্ব নেবে না।”
সাকি আরো বলেন, “মালয়েশিয়ার বর্তমান সরকার মাহাথির মোহাম্মদের মতো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে। অথচ সেখানে সাধারণ শ্রমিক অধিকারের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ।”