যুক্তরাষ্ট্র আটটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ থেকে আসা ফ্লাইটে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন নিষিদ্ধ করেছে। এই নিষেধাজ্ঞায় আট দেশের ৯টি এয়ারলাইন্স ও ১০টি বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি জানিয়েছে, উগ্রবাদীরা বিমান উড়িয়ে দিতে উদ্ভাবনী পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে। ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, ক্যামেরা, ডিভিডি প্লেয়ার এমনকি ভিডিও গেমের মধ্যেও বোমা লুকিয়ে হামলা চালাতে পারে জঙ্গিরা বলে নিষেধাজ্ঞায়। তবে নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে মোবাইলকে বাদ দেয়া হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া দেশগুলো হচ্ছে মরক্কো, জর্ডান, তুরস্ক, মিশর, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব, আরব আমিরাত। আটটি দেশের ১০টি বিমানবন্দরে এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ হবে যার মধ্যে সৌদি আরবের ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি করে বিমানবন্দর রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে রয়েল জর্ডানিয়ান, ইজিপ্ট এয়ার, তুর্কিশ এয়ারলাইন্স, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স, কুয়েত এয়ারওয়েজ, রয়েল এয়ার মারোক (মরক্কো), কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস ও ইতিহাদ (আরব আমিরাত)।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এয়ারলাইনগুলোকে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকরে ব্যবস্থা নিতে ৯৬ ঘণ্টা সময় দিয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদোত্তীর্ণর কোনো দিন তারিখের কথাও বলা হয়নি। বিবিসি।