ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বিশেষ রং দিয়ে চিহ্নিত করে তাতে ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবন’ সংবলিত সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হবে। বিল্ডিং কোড আপডেট এবং তা বাস্তবায়নে কঠোর হওয়ার জন্য রাজউক ও সিটি করপোরেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও সচেতনতা কমিটির সভায় এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় ঢাকা শহরে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে আটটি ভবনের হেলে পড়ার কারণ, ক্ষয়ক্ষতি ও দায়দায়িত্ব নিরূপণ করে ২০ মের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন উপস্থাপন করে কমিটিকে অবহিত করতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছে জাতীয় ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও সচেতনতা কমিটি। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিল্ডিং কোড আইন চূড়ান্ত হবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সভাপতিত্বে সভায় সচিব মো. শাহ কামাল, স্থানীয় সরকার, গণপূর্ত, রাজউক, শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা, আবহাওয়া অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সরকারি পুরোনো মেডিক্যাল কলেজগুলো জরুরি ভিত্তিতে রিট্রোফিটিং করার ব্যবস্থা নিতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়।

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন, মসজিদ, মার্কেট ইত্যাদি স্থাপনার একটি নিরীক্ষা স্ব স্ব মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে করার জন্যও সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়।

স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে বছরে দুবার প্রাকৃতিক দুর্যোগবিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠানের জন্য শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়।

এ ছাড়া উপকূলীয় এলাকায় যেসব লোককে ঘূর্ণিঝড় বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, তাদের ভূমিকম্প বিষয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।