ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে মোবাইল ফোন গ্রাহকের সংখ্যা ১২ কোটি ৩ লাখ। আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য মনোয়ারা বেগমের এক প্রশ্নের জবাবে এ তিনি কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সীম বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে রেজিস্ট্রেশন একান্ত জরুরী। মোবাইল অপারেটরদের ‘সাবস্ক্রাইবার রেজিস্ট্রেশন ফর্ম (এসআরএফ)-এর সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যাবলী যাচাইকরণ এবং রিটেইলারের নিকট থেকে সঠিকভাবে নিবন্ধিত সংযোগসমূহের ব্যবহারকারীদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে মোবাইল সংযোগসমূহ চালু করা হবে।
সরকারি দলের সদস্য মো. আফতাব উদ্দিন সরকারের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ৩য় প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির সেবা চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ সকল জেলা শহর এবং বিভাগীয় শহরে ৩জি সেবা বিস্তারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ১ হাজারটি ইউনিয়ন পরিষদে অপটিক্যাল ফাইবার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে ৭১৮ দশমিক ০৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৪টি জেলায় ৯৮টি উপজেলার ১০০৬টি ইউনিয়নে প্রায় ১১ হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ও ট্রান্সমিশন যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হচ্ছে, যা আগামী ২০১৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে সমাপ্ত হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ৪৯৯ দশমিক ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে আগামী ২০১৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে ‘উপজেলা পর্যায়ে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে ৬৪টি জেলার ২৯০টি উপজেলায় ৭ হাজার ৮৩০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ও ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জাপান সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় ৬২২ দশমিক ৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আধুনিক এনজিএন ভিত্তিক ২ লাখ ১০ হাজার টেলিফোন, ১ হাজার ৫শ’ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল, ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে, ইন্টিলিজেন্ট নেটওয়ার্ক ও নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে যা আগামী ২০১৫ সালের ৩০ জুনে বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে চর, নদী নালা বেষ্টিত, বিদ্যুৎবিহীন, দুর্গম এলাকায় ১০০৫টি ইউনিয়ন অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য ‘দুর্গম এলাকার ১০০০টি ইউনিয়ন পরিষদে অপিটক্যাল ফাইবার ক্যাবল নেটওয়ার্ক স্থাপন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন আছে যার মাধ্যমে ১০ হাজার ৫শ’ কিরোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ও ট্রান্সশিমন যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে।