‘বর্তমান সরকার হাফ রাজাকার। তারা মৌলবাদীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। ধর্মনিরপেক্ষতার নাম করে তারা চেতনা ব্যবসা করছে।’

নববর্ষে নারী নির্যাতনের ঘটনার বিচারের দাবীতে ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের নগ্ন হামলা ও বেধড়ক লাঠিচার্জের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রগতিশীল ছাত্র জোটের নেতারা।

সোমবার বিকেল ৫ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি হাসান তারেক, সাধারণ সম্পাদক লাকী আক্তার, ছাত্রমৈত্রী সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, ছাত্র ফেডারেশন সভাপতি ফয়সাল মাহমুদ প্রমুখ।

হাসান তারেক সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘আপনারা ভোটে চুরি করে ক্ষমতায় এসেছেন। পহেলা বৈশাখের ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করবেন না। তাতে জনরোষে পড়বেন। এই জনগণ চাইলে আপনাদেরকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে দিতে পারে।’

তিনি পুলিশকে নিপীড়কদের সহযোগী হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান পুলিশের কর্মকাণ্ড পাকিস্তানী নিপীড়কদেরও হার মানিয়েছে।’

আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘একটা অন্যায় চাপা দিলে আরেকটা অন্যায় জন্ম নেয়। আপনারা এই ঘটনাকে প্রশ্রয় দিয়ে যে অন্যায় করছেন তা ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না। ছাত্রদের সব যৌক্তিক আন্দোলনে আমরা পাশে ছিলাম, থাকবো।’

ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় কিন্তু তাদের রিপোর্ট আর পাওয়া যায়না। এই রাষ্ট্র নিজেই সন্ত্রাসী। তারা সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দেবেই।’

সমাবেশে নেতারা আগামীকালের ছাত্র ধর্মঘটে সবাইকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে সাড়া দেয়ার আহ্বান জানান।এর আগে সোমবার দুপুর ১টায় ঢাবি মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ছাত্র ইউনিয়নের ধর্মঘটের আন্দোলনের সাথে সংহতি প্রকাশ করেন প্রগতিশীল ছাত্র জোটের নেতারা।