শুক্রবার দেশটিতে ১২তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়।

গণনার প্রাথমকি ফলাফলে হাসান রুহানি বিপুল ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় টিভি ঘোষণা দিয়েছে, মোট ২ কোটি ৬০ লাখ ভোট গণনা হয়েছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৪৬ লাখ ভোট পেয়েছেন হাসান রুহানি, যা মোট ভোটের অর্ধেকেরও বেশি। খবর বিবিসির।

নির্বাচনী কর্মকর্তা আলী আসগর আহমাদী জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় শনিবার ২টার মধ্যে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যাবে।

২০১৩ সালে রুহানি প্রথমবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। দেশটি পারমাণবিক ইস্যুতে বেশ কোণঠাসা ছিল। কিন্তু তার সময়ে এ ব্যাপারে বেশ কিছু অগ্রগতি হয়।

এর অগে শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৬৩ হাজার ৫০০ ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি পঞ্চম সিটি কাউন্সিল ও স্থানীয় পরিষদ নির্বাচনেও ভোট দিয়েছে ইরানি জনগণ।

কোথাও কোথাও সময় ৫ ঘণ্টা বাড়িয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ৭০ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রায় ৪ কোটি ভোট কাস্ট হয়েছে। নির্বাচনী অফিস জানিয়েছে, প্রার্থী এবং অংশগ্রহণকারীদের অনুরোধেই ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানো হয়।

ইরানের বাইরে বিশ্বের ১০২টি দেশে অবস্থানরত প্রবাসী ইরানি নাগরিকরাও তাদের প্রেসিডেন্টকে বেছে নিতে ভোট দিয়েছেন। ওইসব দেশে ভোটগ্রহণের জন্য স্থাপন করা হয় ৩১০টি কেন্দ্র।

এবারের নির্বাচনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, বর্তমান প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি ও ইরানের বিচার বিভাগের সাবেক উপপ্রধান ইব্রাহিম রাইসি, ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্য আগা মিরসালিম এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তফা হাশেমি তাবা।

তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় সংস্কারপন্থী প্রার্থী ড. হাসান রুহানি এবং ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারের তত্ত্বাবধায়ক ইব্রাহিম রাইসির মধ্যে।

ইরানের এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা পাঁচ কোটি ৬৪ লাখ ১০ হাজার ২৩৪ জন।