প্রয়োজন হলে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সীমিত আকারে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে: ইসি

0
171

সেনাবাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে আগামী দু’একদিনের মধ্যেই ইসির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ। আজ রবিবার রাজধানীর আগারগাঁয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেক) মিলনায়তনে ৩ সিটি নির্বাচনে আইন-শৃংখলা বিষয়ক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, কমিশন আজ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করে তাদের মতামত শুনেছে। তারা জানিয়েছেন, পরিস্থিত এখন পর্যন্ত ভাল আছে। তাদের মতামতের ভিত্তিতে আগামী দু’একদিনের মধ্যেই ৩ সিটির কোথায় কি পরিমাণ ফোর্স মোতায়েন করা হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রসঙ্গত আগামী ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, জাবেদ আলী ও মোহাম্মদ আবু হাফিজ, ইসি সচিবালয়ের সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোজাম্মেল হোসেন খান, মহাপুলিশ পরিদর্শক একেএম শহিদুল হক, সেনা সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে. জেনারেল আবু বেলাল মো. শফিউল হক, বিজিবি মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ আহমেদ, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মকবুল হোসেন, আনসার ভিডিপি মহাপরিচালক মো. নাজিম উদ্দিন, র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল হাসান, ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রিটার্নিং অফিসারসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। কারণ সাধারণত নির্বাচনের ২-৩ দিন আগে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। সেক্ষেত্রে হঠাৎ করে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হয়। তিনি বলেন, কমিশন সতর্কতার সাথে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। নির্বাচনপূর্ব সময়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় রাখতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে ঢালাওভাবে অভিযোগ করলে লাভ নেই। সুনির্দিষ্টভাবে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে হবে। কমিশন প্রত্যেকটি অভিযোগ যথাযথ তদন্ত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে। তিনি বলেন, প্রতিদিনই রিটার্নিং কর্মকর্তারা বিভিন্ন প্রার্থীদের সতর্ক এবং জরিমানা করছেন। তা সত্ত্বেও পুনরাবৃত্তি ঘটলে কঠোর শাস্তি দেয়া হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
কাজী রকিবউদ্দীন বলেন, ভোটাররা যাতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বিঘ্নে ফিরে আসতে পারেন সে লক্ষ্যে তিন সিটি নির্বাচনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভোটকেন্দ্রে কেউ বল প্রয়োগ করলে তা প্রতিহত করতে দ্বিগুণ বল প্রয়োগ করা হবে।