পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পেলে আদালতে যাবেন বিএনপি চেয়ারপারসন

download

জিয়া ট্রাস্টের দুই দুর্নীতির মামলার পরবর্তী শুনানির এক দিন আগে মঙ্গলবার তিনি বলেছেন, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা এবং কার্যালয়ে পুনরায় ঢোকার নিশ্চয়তা পেলে আদালতে যাবেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

লাগাতার অবরোধ ডেকে গত দুই মাস ধরে গুলশানের কার্যালয়ে অবস্থানরত খালেদা আদালতে অনুপস্থিত থাকায় বিরুদ্ধে গত সপ্তাহে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।

বুধবার ওই দুই মামলার শুনানির আগের দিন তাকে গ্রেপ্তারের আলোচনার মধ্যে মঙ্গলবার তিনি বিচারিক আদালতে ওই পরোয়ানা প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব তার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যদিও এখনও আমরা ওয়ারেন্ট আমি হাতে পাইনি, তারপরও যদি আদালতে হাজির হতে হতে হয়, আত্মসমর্পণ করতে হয়, তাহলে তিনি (খালেদা জিয়া) আদালতে যেতে ইচ্ছুক।”

তবে খালেদা জিয়া ‘নিরাপত্তাহীনতায়’ ভুগছেন দাবি করে বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা বলেন, “প্রতিদিন তার রাজনৈতিক কার্যালয় ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা ঘেরাও করে রাখছে। এমনকি বর্তমান সরকারের একজন ক্ষমতাসীন মন্ত্রীর নেতৃত্বেও তার বাড়ি ঘেরাও করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই তিনি নিরাপত্তার অভাববোধ করছেন।

“আরেকটা ব্যাপার আমাদের মনে হচ্ছে, উনাকে জনবিচ্ছিন্ন করার জন্য একবার বের হলে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে থেকে বের হলে আর ঢুকতে দেওয়া হবে না।”তাই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পেলে এবং পুনরায় কার্যালয়ে ঢোকার নিশ্চয়তা ও স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে দিলে আদালতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে খালেদা আত্মসমর্পণ করবেন বলে জানান খন্দকার মাহবুব।

আদালতে যাওয়ার আগে এভাবে শর্ত দেওয়া যায় কি না- এই প্রশ্নের জবাবে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্মমহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, “সরকার, আদালত ও দুদক এক হয়ে গেছে। এই জন্যই শর্ত।”

গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ স্থগিতে বিচারিক আদালতের পাশাপাশি হাই কোর্টেও আবেদন করেছেন বলে জানান তিনি।

“বিচারক পরিবর্তনের আবেদনের সঙ্গে বৃহস্পতিবার বিচারপতি রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের আদালতে এই আবেদনের শুনানি হবে।”

খন্দকার মাহবুব বলেন, “আপনারা জানেন, আইনজীবী হিসাবে তার সঙ্গে আমরা দেখা করতে পারছি না। আপনারা দেখেছেন, আমরা একবার আলোচনার জন্য বসেছিলাম, কিভাবে পুলিশ-র‌্যাব দিয়ে সেখানে ঘেরাও করা হয়েছিল।