পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক বলেছেন, সালাহ উদ্দিনের সাথে তার স্ত্রী হাসিনা আহেমেদের কথপোকথনের মাধ্যমে এটা পরিষ্কার যে বিএনপির এই নেতাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অপহরণ করেনি।

দুপুরে পুলিশ সদর দফতরে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।
শহীদুল হক বলেন, নিখোঁজ হবার পর থেকেই তার সন্ধান করছিল পুলিশ। বিএনপির এই নেতার বিরুদ্ধে নাশকতার কয়েকটি মামলা আছে। মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করেছে আদালত।
‘তিনি কিভাবে ভারতে গেলেন তা খতিয়ে দেখা হবে,’ যোগ করেন আইজিপি।
সালাহ উদ্দিন আহমেদ ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ের একটি মানসিক হাসপাতাল থেকে মঙ্গলবার সকালে তার স্ত্রীকে ফোন করেন। সালাহ উদ্দিনের খোঁজ পেয়েই বিএনপি চেয়ারপারসনের সাথে দেখা করতে যান হাসিনা আহমেদ। খালেদা জিয়া তার (সালাহ উদ্দিন) সন্ধান পাওয়ার খবর জানার পর শুকরিয়া আদায় করেছেন।
দুপুর পৌনে ৩টার দিকে গুলশান-২ এর ৭৭ নম্বর রোডের ৭ নম্বর বাসার সামনে হাসিনা আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ের পাস্তুরহিল এলাকার মিম হ্যানস মেন্টাল হাসপাতালে আছেন সালাহ উদ্দিন। তিনি সুস্থ আছেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাসিনা আহমেদ বলেন, তাকে (সালাহ উদ্দিন) দেশে আনার জন্য ভিসা প্রসেসিংয়ে সরকারের সহযোগিতা চাই।
হাসিনা আহমেদ আরও জানান, দুপুর ১২টার দিকে মিম হ্যানস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে সালাহ উদ্দিনের বিষয়টি জানায়। এরপর সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে তার (হাসিনা আহমেদ) কথা হয়।
গত ১০ মার্চ রাতে উত্তরার একটি বাসা থেকে নিখোঁজ হন সালাহ উদ্দিন আহমেদ। এরপর তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তার স্বামীকে ওই বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।