জনদুর্ভোগ কমাতে ব্যবসায়ীদের ছোট গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন আমদানি বা তৈরির প্রতি বেশি নজর দেয়া দিতে হবে

0
203
পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যানজট ও জনদুর্ভোগ কমাতে ব্যবসায়ীদের ছোট গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন আমদানি বা তৈরির প্রতি বেশি নজর দেয়া দিতে হবে। ছোট গাড়ি আমদানি বন্ধ করুন। এসব গাড়ি যানজট বাড়ায়। বড় গাড়ি আমদানি বা তৈরিতে একটু বেশি নজর দিন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে তিন দিনব্যাপী অটোমোবাইল প্রদর্শনী ‘১০ম নিটল-নিলয় ঢাকা মোটর শো ২০১৫’ এবং ‘ঢাকা বাইক শো ২০১৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নজরকাড়া নতুন প্রযুক্তির গাড়ি, মোটরসাইকেল এবং গণপরিবহন সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে সেমস্ গ্লোবাল কনফারেন্স এন্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড এবং সেমস্ বাংলাদেশ এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি কাজী আকরামউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)’র সভাপতি হোসেন খালেদ, নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল মাতলুব আহমেদ, সেমস্ গ্লোবালের চেয়ারম্যান মেহেরুন এন ইসলাম বক্তব্য দেন।
দেশে ছোট গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রতিদিনই সড়কে নতুন নতুন ছোট গাড়ি আসার ফলে যানজট ও জনদুর্ভোগ বাড়ছে। গাড়ি প্রস্তুত ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের উচিত ছোট গাড়ির পরিবর্তে গণ পরিবহেনর সংখ্যা বাড়ানো। এতে যানজট অনেকটাই কমে আসবে।
তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে সড়কের অবস্থা অতীতের যেকোন সময়ের তুলনায় ভালো হলেও সড়ক দুর্ঘটনা কমছে না। চালকের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এর প্রধান কারন। এজন্য তিনি গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। নিবন্ধনহীন অবৈধ মোটরযানের সংখ্যা কমাতে নিবন্ধন করার তাগিদ দেন।
অনুষ্ঠানে কাজী আকরাম বলেন, বাংলাদেশে অটোমোবাইল খাত প্রসারের অমিত সম্ভবনা রয়েছে। বিদেশী ব্যবসায়ীরা এ খাতে বিনিয়োগ করলে বাংলাদেশ গাড়ি উৎপাদনের পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এবারের প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, জাপান, মালয়েশিয়া, কোরিয়াসহ ১৪টি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৪’শ স্টল রয়েছে। এতে গাড়ি, মোটরসাইকেল, লুব্রিকেন্ট, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির গাড়িসহ সিএনজি রূপান্তরের যন্ত্রাংশ প্রদর্শন করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এবারই প্রথম অটোমোবাইলের পাশাপাশি বাইক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শনী উন্মুক্ত থাকবে।