প্রধানমন্ত্রী আজ ৬ জেলার সমন্বয় কমিটি ও সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বলেন, ভারতের লোকসভায় স্থলসীমান্ত চুক্তি পাসের পর আমাদের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে এই চুক্তি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা।

প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকের পর সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা কক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এ কথা বলেন। তিনি পঞ্চগড় ও টাঙ্গাইল জেলা উন্নয়ন সমন্বয়ন কমিটির সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় জামালপুর, ঠাকুরগাঁও, গাইবান্ধা, কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকা ও রংপুর বিভাগীয় কমিশনারগণ এ কনফারেন্সে সংযুক্ত ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছিটমহলের মানুষ যেন কোনো সমস্যার মুখে না পড়ে এবং কেউ যেন তাদের আতঙ্কগ্রস্ত করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। ছিটমহলগুলোর মানুষের সংস্পর্শে থাকতে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, বর্ডার গার্ড (বিজিবি), আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী ইন্দো-বাংলা স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের সময় ভারতীয় সীমান্ত বরাবর ছিটমহলগুলোতে যে কোনো গোষ্ঠীর সমস্যা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে জেলা প্রশাসন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আইন-শৃংখলা প্রয়োগকারী সংস্থা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে সজাগ থাকার আহবান জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, ছিটমহলের মানুষ খুবই দুর্ভোগের মাঝে দিনাতিপাত করছে। বিগত ৬৮ বছর থেকে তারা দুর্দশাগ্রস্ত জীবন কাটাচ্ছে। এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে তাদের সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া।

তিনি আরও বলেন, ছিটমহলগুলোর সার্বিক উন্নয়ন ও এর অধিবাসীদের কল্যাণে ইতোমধ্যে প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেখানকার গৃহহীন মানুষের জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা এবং কর্মসংস্থানের সৃষ্টির পাশাপাশি হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক, স্কুল ও রাস্তাঘাট নির্মাণ করা হবে।সীমান্ত চুক্তি ছিটমহলবাসীদের জন্য আমাদের দায়িত্ব বৃদ্ধি করেছে। এ দায়িত্ব আমাদের সুষ্ঠুভাবে পালন করতে হবে।