খালেদার গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয় সূত্র জানায়, এদিন বিকেলে একরকম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন বের হওয়ার। কিন্তু ভাঙা গাড়ি মেরামত হয়নি বলে বের না হওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

অবশ্য এর আগেই (দুপুরে) বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বাংলানিউজকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। তারা বলেন, ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত মির্জা আব্বাস ও তাবিথ আউয়ালের পক্ষে ভোট চাইতে মাঠে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। কিন্তু গত তিনদিন ধরে একের পর এক হামলায় তার বহরে থাকা প্রায় সব গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খালেদা জিয়ার গাড়ি দু’টিতেও ভাংচুর চালান হামলাকারীরা।

এছাড়া তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত কয়েকজন সিএসএফ সদস্যও হামলায় আহত হন। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার গণসংযোগে নামা খালেদা জিয়ার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না- বলেন তারা।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, ম্যাডামের দু’টি গাড়িসহ বহরের প্রায় সবগুলো গাড়িতে ভাংচুর চালানো হয়েছে। সেগুলো মেরামত করা হচ্ছে। বিকেল নাগাদ মেরামতের কাজ শেষ হলে ম্যাডাম বের হবেন।

গুলশান সূত্র জানায়, বিকাল  ৪টা ৪০ মিনিটে সিএসএফের একটি গাড়ি মেরামত শেষে গুলশানে চেয়ারপারসনের ৭৯নং সড়কের বাসা ‘ফিরোজা’র সামনে এসে অবস্থান নেয়। গাড়িটির চালক জানান, গাড়িটির নতুন গ্লাস লাগানো হয়েছে।

একই সূত্রের দাবি, গত দুই দিনের হামলায় খালেদার নিশান পেট্রোল গাড়ির বামদিকে দু’টি গ্লাস ভেঙেছে। গাড়ির বাম দিকের বাম্পারটিও ক্ষতিগ্রস্ত। তাই সেটি সকালে ওয়ার্কশপে দেওয়া হয়েছে।

সূত্রের আরও দাবি, হামলায় খালেদাকে বহনকারী স্পেয়ার গাড়ির সবগুলো গ্লাস ভেঙে গেছে। ওই গাড়িটিও মেরামতের জন্য পাঠানো হয়েছে।