দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বর্জন করতে বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ।

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত ‘১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানানা।

তিনি বলেন, ‘দেশ, জনগণ এবং সুষ্ঠু রাজনীতির স্বার্থে আপনাদের নেত্রীকে বর্জন করুন। তা না হলে জনগণই আপনাদের বর্জন করবে।’

হতাশাগ্রস্থ বিএনপিকে বাঁচাতে খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানকেও বিএনপির রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করতে অনুরোধ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম-সাধারণ সম্ম্পাদক।

হানিফ বলেন, ‘আজকে বিএনপি একটি হতাশাগ্রস্থ দলে পরিণত হয়েছে। তাদের ভবিষ্যৎ আছে বলে আমার মনে হয় না। তাই এ হতাশাগ্রস্থ বিএনপিকে বাচাঁতে হলে খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক রহমানকে বিএনপির রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করা উচিৎ হবে।’

সুশীল সমাজের কঠোর সমলোচনা করে হানিফ বলেন, ‘আমাদের দেশে সুশীল সমাজের অনেক লোক আছে, সরকারের কোনো উন্নয়নমূলক কাজ যাদের চোখে পড়ে না। মনে রাখতে হবে, এরা একাত্তরের পরাজিত শক্তির দোসর। এদের কাজ হলো সরকারের প্রতিটি জায়গায় ভুল খুঁজে বেড়ানো।’

তিনি বলেন, ‘টিআইবি বলেছে, সিটি নির্বাচন ত্রুটিপূর্ণ ছিল। কোথায় ত্রুটি ছিল আপনারা দেখান।’

সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে, প্রত্যেক প্রার্থী নির্বিঘ্নে ভোট চাইতে পেরেছে, আর যদি তাই না হতো বিএনপি এবং জামায়াত সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা বিজয়ী হতে পারতো না।’ ‍

এসময় গণতন্ত্র রক্ষা, সমুদ্র বিজয়, মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে ২৯ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সম্বর্ধনা দেয়া হবে বলে জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

মায়া বলেন, ‘সালাহ উদ্দিনকে খালেদা জিয়া মেঘালয়ে পাঠিয়ে দিয়ে সরকার সর্ম্পকে অনেক খারাপ কথা বলেছেন। তাকে খুঁজে পাওয়ার পর খালেদার মুখ বন্ধ হয়ে গেছে।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান রতন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কেএম আযম খসরু প্রমুখ।