ইমরুলের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৭১
ইমরুল কায়েসের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৮ উইকেটে ২৭১ রান করেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে শুরুতে ব্যাট করে এ রান সংগ্রহ করে মাশরাফি বাহিনী। ইমরুল করেছেন ১৪৪ রান। এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তামিমের করা ১৫৪ রানের পর এটিই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। তাকে শেষ দিকে সঙ্গ দেয়া সাইফ উদ্দিনও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করে আউট হয়েছেন তিনি।
রবিবার দুপুরে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই বাংলাদেশ চাপে ছিল টাইগাররা। ছিল সেই চাপ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টাও। সেই চেষ্টাটা বলা যায় এককভাবে ইমরুলের। কখনও সেই চেষ্টায় সঙ্গী হয়েছেন মুশফিক। আবার কখনও মিঠুন-সাইফ। অন্য ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার মহড়ার মধ্যে ১৪৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংসের মাধ্যমে নিজেকে আবারও প্রমাণ করলেন ইমরুল কায়েস। ১৪০ বল থেকে ১৩টি চার ও ছয়টি ছক্কার মারে এ রান করেন তিনি। ওয়ানডেতে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চুরি।
সাকিব-তামিম বিহীন ম্যাচে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে শুরুতে নেমেছিলেন ইমরুল ও লিটন দাস। তবে দলীয় ১৬ রানেই লিটন আউট হয়ে যান। এরপর মাঠে নামেন অভিষিক্ত ফজলে মাহমুদ রাব্বি। রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান তিনি। মাত্র ১৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইমরুল কায়েসের সঙ্গে সেই চাপ কাটাতে খেলছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু বেশিদূর যেতে পারেননি। দলীয় ৬৬ রানে ফিরে যান দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুশফিক (১৫)।
এরপর ইমরুলের সঙ্গে দলের হাল ধরেন মিঠুন। চতুর্থ উইকেটে এ দুজন ৭৩ রান যোগ করেন। এরপর মিঠুন আউট হয়ে যান ব্যক্তিগত ৩৭ রানে। তাকে অনুসরণ করেন মাহমুদউল্লাহ ও মিরাজ। ১৩৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
তবে একপাশে অবিচল ছিলেন ইমরুল। তার সঙ্গে সপ্তম উইকেটে জুটি বাঁধেন সাইফ উদ্দিন। তারা দু’জন এই জুটিতে করেন ১২৭ রান। মূলত এখানেই লড়াই করার মতো স্কোর পায় মাশরাফি বাহিনী। পরে ইমরুল ও সাইফ দুজনই আউট হলেও বাংলাদেশ ২৭১ রান করতে সক্ষম হয়। জিম্বাবুয়ের কাইল জার্ভিস চারটি এবং টেন্ডাই চাতারা তিনটি করে উইকেট নেন।