৩৮ জন খোশনবিশ সেই কোরআন শরীফের পৃষ্ঠা অলঙ্করণ করেছেন। তাদের টানা দুই বছর সময় লেগেছে মহান এই কাজটি সম্পূর্ণ করতে।

সেই কোরআন শরীফের ওজন আট কেজি ছয়শ গ্রাম। যারা বোরআন শরীফটি প্রস্তুতের কাজে নিয়োজিত ছিলেন তাদের বেশিরভাগই কাবুলে অবস্থিত ব্রিটিশ ফাউন্ডেশনের সহায়তায় প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।

খোশনবিশদের অন্যতম ৬৬ বছর বয়সী খাজা কামারুদ্দিন চিশতি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য ছিলো যে, আফগানিস্তানে লিপিবিদ্যার দিন শেষ হয়ে যায়নি, সেটা প্রমাণ করা। অলঙ্করণটা আমাদের সংস্কৃতিরই অংশ।