এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এস এম এইচ ফারুককে ৭ দিনের রিমান্ড

0
82

 রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউয়ের এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ভবনের একাংশের মালিক বিএনপি নেতা তাসভির উল ইসলাম এবং জমির মালিক এস এম এইচ ফারুককে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার  (৩১ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক জালাল উদ্দিন আহম্মেদ আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান। আর তাসভির ও ফারুকের জামিন আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে তাদের সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামিপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এস এম সামাজী।

এর আগে শনিবার (৩০ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১০টায় বারিধারার নিজ বাসা থেকে প্রথমে তাসভির এবং রাত ১টার দিকে ফারুককে গ্রেফতার করা হয়।

গত ২৮ মার্চ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে এ পর্যন্ত ২৬জন মারা গেছেন। অর্ধশতাধিক মানুষ দগ্ধ ও আহত হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পরে ৩০ মার্চ (শনিবার) বনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মিল্টন দত্ত বাদী হয়ে বনানী থানায় একটি মামলা করেন। এতে এম এইচ ফারুক, বিএনপি নেতা তাসভির উল ইসলামসহ তিনজনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তাসভির উল ইসলাম এফ আর টাওয়ারের ভবন পরিচালনা সোসাইটির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ভবনটির ২০, ২১ ও ২২ তলার মালিক এবং কাশেম ড্রাই সেল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)।

জানা যায়, এফ আর টাওয়ারের জমির মালিক প্রকৌশলী এস এম এইচ ফারুক। তিনি ১৯৯৫ সালে ভবনের নকশার জন্য রাজউকে আবেদন করেন। অনুমোদন পাওয়ার প্রেক্ষিতে অনিয়ম করে ভবনটি নির্মাণ করা হয়। ২০০৫ সালে কাজ শুরু হওয়া ভবনটি চালু হয় ২০০৭ সালে।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জানায়, এফ আর টাওয়ারের ফাইল ঘেটে ১৮ তলা ভবনের নকশা পাওয়া গেছে, যেটার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অনুমোদনের বাইরে উপরের ৫ তলা তৈরির বিষয়ে জমির মালিক ফারুকের ম্যানেজার কামাল হোসেন জানান, ১৮ তলার অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও ২৩ তলা করার বিষয়ে আমাদের আপত্তি ছিলো। কিন্তু এ ভবন পরিচালনা সোসাইটির সভাপতি তাসভির বলেছেন সমস্যা নাই।