রোহিঙ্গা ও কক্সবাজার এলাকার শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখতে বিশ্বব্যাংকের কাছে অনুদান চেয়েছে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে সংস্থাটির কাছে আড়াই কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ২০০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।

রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন দ্বিতীয় পর্যায় (রস্ক-২) প্রকল্পের আওতায় এ অর্থ ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটির মেয়াদ ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। তবে ওইসব শিশুর লেখাপড়ার সহায়তায় প্রকল্পটির মেয়াদ ২ বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি অনুদান প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বিশ্বব্যাংকের কাছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইআরডির দায়িত্বশীল কর্মকর্তা উপসচিব জাহিদ হোসেন মুনশী বলেন, ‘রস্ক-২ প্রকল্পের আওতায় সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের কাছে ২৫ মিলিয়ন ডলারের অনুদান সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

এ টাকায় শুধু রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যয় হবে তা নয়, কক্সবাজার এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা যারা রোহিঙ্গাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের সন্তানদেরও লেখাপড়ার সুবিধা সৃষ্টিতে ব্যয় করা হবে।’

রস্ক-২ প্রকল্পটির মেয়াদ দুই বছর বাড়ানোসহ বিশ্বব্যাংকের কাছে অনুদানের বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুরোধ জানানো হয় ইআরডিকে। ইআরডি থেকে সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের কাছে অনুদান সহায়তা চেয়ে অনুরোধ করা হয়।

প্রকল্পটির মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাবের সঙ্গে পজেশন পেপারও দেয়া হয়েছে। সেখানে ন্যাশনাল টাস্কফোর্স ফর অ্যাড্রেসিং রিফিউজি ক্রাইসিস ইন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা বিষয়ক তিনটি নির্দেশনার কথা উল্লেখ করা হয়।