২৬শে  মার্চ রোববার দিবাগত রাত ২টা থেকে জার্মান সহ  ইউরোপ অঞ্চল ফিরে এসেছে  গ্রীষ্মকালীন সময়ে। অর্থাৎ ঘড়ির কাটায় যখন রাত দুইটা তখন একএক ঘণ্টা বাড়িয়ে হয়ে গেছে রাত  তিনটা। ফলে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের (যে সকল অঞ্চলে সারা বছর ঘড়ির কাটা আগেপিছে নেয়ার নিয়ম চালু নেই) সাথে জার্মান সহ  ইউরোপের সময়ের ব্যবধান এক ঘণ্টা কমে যাবে। উদাহরন হিসাবে বলা যায়, আজ থেকে  জার্মানের সাথে বাংলাদেশের সময়ের ব্যবধান পাঁচ ঘণ্টা থেকে কমে চার ঘণ্টায় চলে এসেছে ।  জার্মানিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য দেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে শীত ও গ্রীষ্মকালে সময়ের এক ঘণ্টা তারতম্য করা হয়। সাধারণত মার্চ মাসের শেষ রোববার দিবাগত রাতে গ্রীষ্মকালীন সময় চালু হয় আবার অক্টোবর মাসের শেষ রোববার ঘড়ির কাটা একই সময়ে শীতকালীন সময়ে চলে যায়। জার্মানিতে বা ইউরোপে যারা বিভিন্ন প্রতিষ্টানে কর্মরত আছেন তাদেরকে এদিন একটু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় । কারন পেছনের কয়েকমাসে অব্যস্ত হয়ে পড়া রুটিন সময় থেকে এদিন আপনার এক ঘণ্টা সময় কমে যাবে। কাজেই অনেকেরই একঘণ্টা দেরিতে কাজে যোগদানের একটা ঝুঁকি থেকে যায়। ফলে কর্মজীবীরা আগের দিন রাতেই ঘড়ির কাতাকে একঘণ্টা সামনে নিয়ে আসেন। অবশ্য বর্তমানে স্মার্ট ফোনগুলোতে সয়ংকৃয়ভাবে সময় পরিবর্তিত হয়ে যায়। সাধারণত জার্মানিতে  শীতকালে দিনের পরিমাণ বেশ ছোট হওয়ায় সূর্যের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ঘড়ির কাটা একঘণ্টা পেছানো হয়। আবার গ্রীষ্মকালে দিনের পরিমাণ বাড়তে থাকলে তাকে পূর্বের অবস্তায় নিয়ে আসা হয়।