জনপ্রিয় স্মার্টফোন অ্যাপ
জনপ্রিয় স্মার্টফোন অ্যাপ

এখনকার জেনারেশনকে অনেকেই ফেইসবুক জেনারেশন বলে থাকেন আমিও এর বেতিক্রম বলছি না কিন্তু একটু অন্যভাবে স্মার্ট জেনারেশন বলতে চাচ্ছি । কেন বলছি স্মার্ট জেনারেশন ? আমাদের এই জেনারেশন অন্যান্য সময়কার থেকে অনেক জটিল বিষয় গুলো অনেক সহজ ভাবে সমাধান করে যাচ্ছে । এই সমাধানের পিছনে আছে বিজ্ঞানের ছোট্ট ম্যাচ বক্স স্মার্টফোন। এখনকার সময়ে এমন অনেক কম লোকই পাওয়া যাবে যার পকেটে একটি স্মার্ট ফোন নেই ।

আর এই সময়ের স্মার্টফোনে জনপ্রিয়স্মার্টফোন অ্যাপ গুলো হচ্ছে –

হোয়াটসঅ্যাপ
সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ। শুধু অ্যান্ড্রয়েড নয় বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোনে এই ‘ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং’ অ্যাপ ব্যবহার করা যায়। মেসেজিং ছাড়াও ভয়েস কলস, ভয়েস মেসেজেস, ইমেজ শেয়ারিং, গ্রুপ চ্যাটিং ছাড়াও আরও বেশ কিছু সুবিধা আছে হোয়াটসঅ্যাপে। ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপ কেনার সময় জানিয়েছেন, প্রতিদিন ১০ লাখ মানুষ হোয়াটসঅ্যাপ ডাউনলোড করছেন।

ফেসবুক মেসেঞ্জার
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটিও একটি ‘ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং’ সার্ভিস। মোবাইল কিংবা ডেস্কটপেও ব্যবহার করা যায় ফেসবুক মেসেঞ্জার। এ অ্যাপে ছবি, ভিডিও, স্টিকার, অডিও ফাইল, ভয়েস ও ভিডিও কল আদান-প্রদান করা যায়। গত এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১২০ কোটি।

ফেসবুক
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপসগুলোর মধ্যে আমাদের দেশে ফেসবুকের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি হলেও গোটা বিশ্বে এর অবস্থান চতুর্থ। তবে একসময় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড ছিল ফেসবুক। কিন্তু এর জনপ্রিয়তা কিছুটা কমেছে। গত জুন পর্যন্ত ফেসবুকে মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ২০০ কোটির কিছু বেশি।

ইউটিউবঃ

বাচ্চা থেকে বুড়ো কে ব্যবহার করে না গুগলের এই অ্যাপ। কি ভিডিও নাই এই অ্যাপএ । বাচ্চাদের শিক্ষা থেকে শুরু করে রান্না বান্না অথবা বড় বড় সমস্যার সমাধান মিলবে এই ইউটিউবে।

সাবওয়ে সার্ফারস
ক্লান্তিহীন দৌড়ের মোবাইল গেম সাবওয়ে সার্ফারস। ডেনমার্কেল কিলো ও সাইবো গেমস সমন্বিতভাবে এ গেম তৈরি করেছে। জনপ্রিয়তার দিক থেকে এটি ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসের তালিকায় আটে। প্রতি মাসে এ গেমের ডাউনলোডের সংখ্যা তিন কোটির বেশি।

স্পোটিফাই মিউজিক
গান ও ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের জন্য দারুণ জনপ্রিয় সুইডেনে তৈরি করা এ অ্যাপ। ২০০৮ সালে যাত্রা শুরুর পর বর্তমানে অ্যাপটির মোট সম্পদের পরিমাণ ১৬০০ কোটি ডলার। এর মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী সংখ্যা ১৪ কোটি। গত জুলাই পর্যন্ত পয়সা খরচ করে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ছিল ছয় কোটির বেশি।

এমন শতশত অ্যাপ এই জেনারেশনের আইডিয়ে থেকে যোগ হচ্ছে স্মার্ট ফোনের অ্যাপ স্টোরে। যার মাধ্যমে সমাধান হচ্ছে অনেক জটিল সমস্যা স্মার্টলি ।